শেয়ার করুন

১ম অধিবেশন
বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কেন্দ্রীয় জেলা ও নেতৃবৃন্দের চতুর্মাসিক অধিবেশন ২৩শে অক্টোবর বাদ মাগরিব হতে ২৪ বাদ জোহর পর্যন্ত চলতে থাকে।২৩অক্টোবর বাদ মাগরিব পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ তেলাওয়াত নাতে রাসুল সাল্লাহু সাল্লাম হিযবুল্লাহ সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয় উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ভাষণ পেশ করেন বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কেন্দ্রীয় জয়েন সেক্রেটারি মাওলানা আতিকুল ইসলাম মোহেব্বী।তার উদ্বোধনী ভাষণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সূচনা করা হয়। এরপরে ইখতেলাফী মাসালা সম্পর্কে আলোচনা।
আলোচকঃ মাওলানা আব্দুল গফ্ফার কাসেমী মুহাদ্দিস ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারিয়া দীনিয়া।
বিষয়ঃ হানাফিদের নামাজ ও আহলে হাদিসদের নামাজ দলিল ভিত্তিক আলোচনা।
২য় অধিবেশন
বাদ এশা বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দদেরকে নিয়ে জরুরি বৈঠক করা হয়।সেখানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ যুব হিযবুল্লাহর কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা কাজী মফিজ উদ্দিন জিহাদী। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা মুফতি আবু ওয়াক্কাস। বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কেন্দ্রীয় বিপ্লবী মহাসচিব জনাব হযরত মাওলানা মুফতি বাহাউদ্দীন মোস্তাফি আরো উপস্থিত ছিলেন জয়েন সেক্রেটারি মাওলানা আতিকুল ইসলাম মোহেব্বী উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি আবু নাইম নাছরুল্লাহ উক্ত জরুরি বৈঠকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় এবং বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর কাজকে কিভাবে আরো গতিশীল করা যায় এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা করা হয় এবং থানা ও জেলার নেতৃবৃন্দ এলাকায় গিয়ে তারা কিভাবে কাজ করবে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। উক্ত জরুরি বৈঠকে মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দিন মোস্তাফি তিনি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।তার আলোচনার তিনি বলেন আমরা বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কর্মীরা সমগ্র বিশ্বে রাসুল পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শকে পৌঁছে দিব এবং আমরা সেই সাহাবায়ে আজমাঈন দের সোনালী যুগ কে আবার ফিরিয়ে আনব।তিনি আরো বলেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ যারা আছেন আমরা যদি সকলে লিল্লাহিয়াতের ভিওিতে কাজ করি তাহলে আমারা এই বাংলাদেশকে পরিবর্তন করতে পারবো।বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ জেলা উপজেলা নেতৃবৃন্দ তার আলোচনা শুনে কাজ করার জন্য তাদের আত্মবিশ্বাস আরও শক্তিশালী করতে পেরেছে। এরপরে সভাপতি মাওলানা মাওলানা কাজী মফিজ উদ্দিন জিহাদী এর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা নসীহতের মাধ্যমে উক্ত জরুরি বৈঠক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
৩য় অধিবেশনঃ
২৪অক্টোবর বাদ ফজর জিকির-আজকার দরুদ শরীফের অজিফা ইশরাক নামাজের পরে বিষয় ভিওিক আলোচনা করেন …
আলোচকঃমাওলানা গোলাম মোস্তফা। সিনিয়র আরবী প্রভাষক ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত আলীয়া মাদ্রাসা।
বিষয়ঃসপ্ত মূলনীতি, পঞ্চ পথপ্রদর্শক নীতি ও চার দফা কর্মসূচি।
আলোচকঃ মাওলানা মুফতি আবু ওয়াক্কাস। সহ-সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ
বিষয়ঃ সাংগঠনিক কার্যক্রমকে কিভাবে গতিশীল করা যায় এবং চেইন অফ কমান্ড বা নেতার আনুগত্য রক্ষায় কর্মীর করণীয়।
আলোচকঃ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি হায়দার হোসাইন।
বিষয়ঃ ছারছীনা দরবারের রাজনৈতিক দর্শন।
আলোচকঃআলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক।নায়েবে মুদির ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারিয়া দীনিয়া।
বিষয়ঃ চার তরিকার আবির্ভাব ও প্রয়োজনীয়তা এবং ইসলামী আদর্শ বাস্তবায়নে তরিকার প্রভাব ও অবদান এবং একজন সালেক এর করনীয়।
উক্ত চতুর্মাসিক অধিবেশনের শেষ পর্বে মিলাদ কিয়াম ও দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ছারছীনা দারুসসুন্নাত আলিয়া মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব হযরত মাওলানা রুহুল আমিন সালেহী।তিনি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। উক্ত অধিবেশনে এখতেলাফী মাসয়ালা সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে। কারণ বর্তমান সময়ে অনেক এখতেলাফী মাসয়ালা নিয়ে সমাজে ফেতনা সৃষ্টি হচ্ছে। সেদিকে লক্ষ্য করে বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে কয়েকটি বিষয়ের উপর ছারছীনা দরবারের সর্বোচ্চ আলেমদের মাধ্যমে সমাধান দেয়া হয়েছে। যাতে করে ছাএ হিযবুল্লাহর কর্মীরা এলাকায় গিয়ে মানুষদেরকে সঠিক মাসআলার সমাধান দিতে পারে এবং তাদেরকে যেন কোন বাতিল ফিরকা পথভ্রষ্ট করতে না পারে। সর্বোপরি বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ কাজকে এবং আদর্শকে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার আশা এবং আকাঙ্ক্ষা রেখে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

104total visits,1visits today